জয়েন্টে র‍্যাঙ্ক খারাপ হলে কোথায় ভর্তি হবেন? পথ দেখাচ্ছে আইডিয়াল!

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

আজকের দিনে সব বাবা-মাই সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত । একদিকে চাকরীর বাজারে ক্রমবর্ধমান মন্দা ও অন্যদিকে সন্তানের যথাযথ শিক্ষার ব্যবস্থা এই দুটি চিন্তা প্রত্যেক অভিভাবককেই দাঁড় করায় এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে। সন্তান ‘কি পড়বে’ এবং ‘কোথায় পড়বে’ এই দুটিই এখন বাপ মায়ের কাছে লাখ টাকার প্রশ্ন! সন্তানদের জীবন গড়ে দেয়ার শেষ ধাপে আসে উচ্চশিক্ষা যা সম্পূর্ণই বৃত্তিমুখী কারন আজকের যুগে  আর শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জন শিক্ষার উদ্দেশ্য নয় বরং ক্রমেই শিক্ষা আজ হয়ে উঠেছে আরো বেশি বাজারকেন্দ্রিক। কোন পেশায় দক্ষ কর্মীর চাহিদা সবচাইতে বেশি তার ওপরই নির্ভর করে আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা কোন শাখায় পড়াশোনা করবে। চাকুরীর জগতে বিভিন্ন পেশার উত্থান পতন ঘটেছে বিভিন্ন সময়। কখনো দর বেড়েছে এম.বি. এর কখনো বা সবাই ঝাঁপিয়ে পড়েছে সফটওয়্যার সম্পর্কিত কোর্সের দিকে।  তবু গত প্রায় অর্ধশতক ধরে যে দুটি পেশায় উপার্জন ও সামাজিক সম্মান সবচাইতে বেশি চোখ বন্ধ করে তাদের নাম যে কেউ উচ্চারণ করতে পারেন যার প্রথমটি মেডিকেল হলে দ্বিতীয়টি অবশ্যই ইঞ্জিনিয়ারিং। আর বলাই বাহুল্য এই দুটি শাখাতেই পড়াশুনা করতে গেলে যোগ্যতা প্রমাণের জন্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স এ বসতেই হয় । পাশের হার এ ক্ষেত্রে যেহেতু খুবই কম তাই অনেক শিক্ষার্থীই এই পরীক্ষায় ভালো র‍্যাঙ্ক করতে পারেন না ফলে ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার আশা তাদের অচিরেই শেষ হয়ে যায় ।

বাবা-মাও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েন। এমতাবস্থায় সঠিক দিক নির্দেশ পাওয়াটাই হয়ে পড়ে কঠিন তাই শেষমেশ দ্বারস্থ হতে হয় কোনও এডুকেশনাল কনসালটেন্টের । তখন তারাই একমাত্র বলে দিতে পারেন -কি করনীয়। শিক্ষার্থী কতদূর পর্যন্ত পড়াশোনা সম্পূর্ণ করেছেন; কোন বিষয়ে কত নম্বর পেয়েছেন; কোন বিষয়ে শিক্ষার্থী যথেষ্ট দক্ষ; কোনটায় একান্তই দুর্বল; শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ঝোঁক কোন দিকে; মনস্তাত্ত্বিকভাবে শিক্ষার্থী ঠিক কোন পর্যায়ে আছেন; শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবক অর্থনৈতিকভাবে ঠিক কতটা সক্ষম; কোথায় এডমিশন চলছে; কোথায় এডমিশন পেতে গেলে কিকি প্রয়োজন; কোথায় কত মার্কস এ নামলো; কোথায় ভর্তির খরচ কত; কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কি  কি সুযোগ সুবিধা আছে; ভিন রাজ্যে পড়তে গেলে সেখানে কিভাবে কি করতে হবে; লোনের ব্যবস্থা আছে কি না; হোস্টেল পাওয়া যাবে কিনা – ইত্যাদি একাধিক বিষয় বিচার করে সঠিক দিশা দেখাতে পারেন এডুকেশনাল কনসালটেন্টরাই ।

কিন্তু সঠিক এডুকেশনাল কনসালটেন্সি খুঁজে পাওয়া আজ সত্যিই মুশকিল! পদে পদে বিছানো আছে প্রতারণার জাল, একটু অসাবধানী হলেই প্রচুর অর্থ ব্যয় করেও সর্বশান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে সঠিক এডুকেশনাল কনসালটেন্ট বা শিক্ষা-পরামর্শদাতার দ্বারস্থ হলে আপনার সন্তানের উচ্চশিক্ষার বিষয়ে আপনি সম্পূর্ণ দুশ্চিন্তা মুক্ত হতে পারেন। তারাই আপনাকে দেখিয়ে দিতে পারে আপনার সন্তানের জীবনের উন্নতির সোপান। এমনই এক কনসালটেন্সি ফার্ম- সল্টলেকের আইডিয়াল। দীর্ঘ 21 বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রচুর ছাত্র-ছাত্রী কে দেখিয়ে দিয়েছে উচ্চশিক্ষা লাভের বিভিন্ন পথ। এত বছর ধরে কাজ করে এতটাই সুনাম অর্জন করেছে এই প্রতিষ্ঠানটি যে বছরের কিছু বিশেষ সময় এখানে উচ্চশিক্ষা প্রার্থী ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের ভিড় লেগে যায়। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর যে কোনো রকমের প্রবেশিকা পরীক্ষায় পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় আপনি পাশে পেতে পারেন আইডিয়াল কে- মেডিকেলের ক্ষেত্রে NEET, AIIMS, JIPMER; ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে JEEMAIN, WBJEE ইত্যাদি প্রবেশিকা পরীক্ষায় ফর্ম ফিলাপের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সানন্দে নিজেদের কাঁধে তুলে নেয় আইডিয়াল। এই সব পরীক্ষায় কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে তার সম্পূর্ণ পরামর্শ দেওয়া ছাড়াও আইডিয়াল বেশকিছু ভারত খ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি ম্যানেজমেন্ট কোটায় ভর্তি করিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। যেমন -সল্টলেকের IEM (Institute of Engineering and Management) বা UEM (University of Engineering & Management) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি যুক্ত আইডিয়াল। এছাড়া রয়েছে নেপাল বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বন্দোবস্ত।

এন্ট্রান্স পরীক্ষায় যদি আশানুরূপ রেজাল্ট না হয়, যদি র‍্যাঙ্ক খারাপ হয় সেক্ষেত্রে মেলে না সরকারি কলেজে ভর্তির সুবিধা তখন বেসরকারি কলেজ গুলিই ভরসা! যেখানে আইডিয়ালের সাহায্য নিয়ে বেসরকারি কলেজগুলির বিশেষ ম্যানেজমেন্ট কোটায় অনায়াসে ভর্তি  হতে পারেন আপনি।
যদি একান্তই সুযোগ না মেলে সে ক্ষেত্রে আছে চিকিৎসা ক্ষেত্রের অন্যান্য কোর্স করার সুবিধা যেমন NURSING ও GNM NURSING . এছাড়াও আছে আরো একাধিক কোর্স যেমন DMLT (medical lab technology),DMXT (Medical X ray technology), DHT (Health Inspector), DOTT (Oparetion Theater Technology), DOT (Ophthalmic Technique), DMRT (Medical Records Technology), DDT (Dialysis Technology) ইত্যাদি। এক্ষেত্রে রয়েছে ব্যাঙ্গালোরের সেরা কলেজগুলিতে ভর্তির বন্দোবস্ত। অবিশ্বাস্য ভাবে প্রতিবছর এই বিপুল সংখ্যক কোর্সে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার সমগ্র দায়ভার তুলে নেয় আইডিয়াল। ভর্তির ক্ষেত্রে যাবতীয় সহযোগিতা ছাড়াও এই সব শিক্ষার্থীদের অনুশীলনের জন্য আছে নিয়মিত অনলাইন মক টেস্টের সুবিধা। এই অনলাইন মক টেস্ট প্যাকেজ একবার নিলে পরীক্ষার্থী সারাবছর যত বার ইচ্ছে মক টেস্ট দিতে পারেন অনলাইনে যা তার দক্ষতা বাড়িয়ে তাকে করে তুলতে পারে আরও নির্ভুল। আর বিস্ময়কর ভাবে এই সব সুযোগসুবিধা একই সাথে পাওয়া যায় আইডিয়ালের একই ছাঁদের নীচে।

এতো গেল কোলকাতার কথা কিন্তু মফঃস্বলের শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবেন?! আসলে এই কথা ভেবেই নিজেদের পরিধি আরও বিস্তৃত করতে তাই এই বছরেরই শেষের দিকে ১৬ই ডিসেম্বর নদীয়ার কৃষ্ণনগরে তড়িঘড়ি নিজেদের শাখা খুলছে আইডিয়াল ।আমরা কথা বলেছিলাম আইডিয়াল কৃষ্ণনগর ব্রাঞ্চের কর্ণধার রাজদীপ পাত্রের সাথে। রাজদীপ বাবু জানালেন ” এখন আর মফস্বলের ছাত্র-ছাত্রীদের জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার পর বেসরকারি কলেজের দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াতে হবে না, আমরাই করে দেবো ব্যবস্থা। আপনাদের মাধ্যমে আমরা আবেদন করছি -উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর যেকোনো শিক্ষার্থী সোজা আমাদের কাছে চলে আসুন। উচ্চশিক্ষা নিতে হলে কী পড়বেন কোথায় পড়বেন তা আমরাই আপনাকে বলে দেব এবং ব্যবস্থা করে দেব ভর্তির” রাজদীপ বাবু আরো বললেন “মফস্বলের অনেক ছাত্র-ছাত্রী আছেন যারা মধ্য বা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসেন, তাদের বড় হওয়ার ইচ্ছাকে আমরা সম্মান করি তাই যথাসম্ভব চেষ্টা করব যাতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত না হন”। কৃষ্ণনগরের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষাবিদ মনে করছেন আগামী দিনে আইডিয়ালের হাত ধরে নদীয়ার ছাত্র ছাত্রীদের একটা বড় অংশ উচ্চশিক্ষার দিকে অগ্রসর হতে পারবে।

আইডিয়ালের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুনঃ  

Ideal
Add: 71  R.N. Tagore Road, Krishnagar, 741101 

Phone Number: 9674163937/9051258896 

Facebook Page

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *